ধর্ম রাষ্ট্রের জন্য সংকট নয়, বরং আশীর্বাদ
ইউরোপীয় রেনেসাঁর পর থেকে ধর্মকে রাষ্ট্রের বাইরে রাখার একটি প্রবণতা তৈরি হয়েছে। কিন্তু ধর্মহীন রাষ্ট্রকাঠামো শান্তি আনতে ব্যর্থ হয়েছে। ধর্ম মানুষের চিরন্তন বিশ্বাসের জায়গা, একে মানুষের জীবন থেকে বাদ দেওয়া সম্ভব নয়। তাই বুদ্ধিমানের কাজ হলো মানুষের ধর্মবিশ্বাসকে ধ্বংসাত্মক কাজে ব্যবহার করতে না দিয়ে মানবকল্যাণে নিয়োজিত করা।
ধর্মের প্রকৃত অর্থ হলো মানবতা। যে ব্যক্তি অন্যের দুঃখ দূর করতে চেষ্টা করে, সেই প্রকৃত ধার্মিক। নামাজ-রোজা তখনই সার্থক হয় যখন তা সমাজের অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে উদ্বুদ্ধ করে। ধর্মকে ব্যক্তিগত উপাসনার গণ্ডি থেকে বের করে রাষ্ট্র ও সমাজের দর্পণ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। মানুষের চরিত্র উন্নয়নই শ্রেষ্ঠ পথ। যখন ধর্মকে এই আঙ্গিকে গ্রহণ করা হবে, তখন কোনো উগ্রবাদী গোষ্ঠী ধর্মের অপব্যবহার করতে পারবে না।