রাষ্ট্রীয় জীবনে ইসলাম প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য
রাষ্ট্রীয় জীবনে ইসলাম প্রতিষ্ঠার মূল লক্ষ্য হলো মানুষের জীবনের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবনের দুটি ঘটনা থেকে এর গুরুত্ব অনুধাবন করা যায়। প্রথমত, সাহাবী খাব্বাব (রা.) যখন অত্যাচারের শিকার হয়ে বদদোয়া চাইলেন, তখন নবীজি বললেন যে, অচিরেই এমন সময় আসবে যখন কোনো যুবতী নারী একা শত শত মাইল পথ ভ্রমণ করবে কিন্তু তার মনে বন্য পশু ও আল্লাহ ছাড়া আর কারো ভয় থাকবে না। অর্থাৎ চরম নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠিত হবে।
দ্বিতীয় ঘটনাটি হলো মক্কা বিজয়ের দিন হাবশী ক্রীতদাস বেলাল (রা.)-কে কাবার ছাদে তুলে আজান দিতে বলা। এর মাধ্যমে রাসুল (সা.) প্রমাণ করলেন যে ইসলামে মানুষের মর্যাদা তার বংশে নয়, বরং তার চরিত্রে। ইসলামের দৃষ্টিতে মানবতাই সবকিছুর ঊর্ধ্বে। এই আদর্শ সমাজ প্রতিষ্ঠা করাই ছিল ইসলামের মূল উদ্দেশ্য, যেখানে কোনো ভেদাভেদ থাকবে না এবং প্রতিটি মানুষ তার পূর্ণ মানবাধিকার ভোগ করবে।