শরিয়ত ও মারেফত: ইসলামের দেহ ও আত্মা
মানুষ কেবল দেহসর্বস্ব জীব নয়, তার আত্মাও আছে। ইসলামের জীবনব্যবস্থা শরিয়াহ (বিধিবিধান) ও মারেফাত (আধ্যাত্মিকতা)-এর এক নিখুঁত সমন্বয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) এই দুইয়ের সমন্বয়ে একটি শান্তিময় সমাজ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত বর্তমান বিশ্বে একদল শুধু শরিয়তের খুঁটিনাটি নিয়ে ব্যস্ত, অন্যদল আধ্যাত্মিকতার নামে নির্জনতায় ডুবে আছে। ফলে জাতীয় জীবনে আল্লাহর হুকুম অনুপস্থিত।
প্রকৃত আধ্যাত্মিকতা বা জিকির হলো জীবনের প্রতি পদে আল্লাহর উপস্থিতিকে অনুভব করা এবং যাবতীয় অন্যায় থেকে দূরে থাকা। নিজের নফসের বিরুদ্ধে জেহাদ করার চেয়েও বড় জেহাদ হলো আল্লাহর দ্বীন কায়েমের জন্য সংগ্রাম করা। বাংলার সুফি-সাধক শাহজালাল (রহ.) বা শাহ পরান (রহ.) যেমন আধ্যাত্মিকভাবে কামেল ছিলেন, তেমনি ছিলেন রণজয়ী যোদ্ধা। হেযবুত তওহীদ সেই ভারসাম্যপূর্ণ জীবনব্যবস্থাকেই তুলে ধরছে যা মানুষকে একদিকে মানবিক গুণসম্পন্ন করবে, অন্যদিকে সত্যের পথে আপসহীন যোদ্ধা বানাবে।