হোম » নিবন্ধ » মিথ্যাবাদীদের উপর আল্লাহর লানত

মিথ্যাবাদীদের উপর আল্লাহর লানত

auth মোখলেসুর রহমান সুমন ১৬ জুন ২০২৬
৮ মিনিটে পড়ুন

সম্প্রতি তাদেরকে বিভিন্ন জায়গায় একটি বানোয়াট হ্যান্ডবিল বিতরণ করতে দেখছি, যে হ্যান্ডবিলের লাইন লাইনে মিথ্যার আশ্রয় নেয়া হয়েছে। সেখানে হেযবুত তওহীদের ব্যাপারে এমন সব অভিযোগ তোলা হয়েছে, যেগুলো শুনলে যে কোনো মুসল্লি হেযবুত তওহীদের ব্যাপারে বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠবে, অথচ প্রতিটি অভিযোগ মিথ্যা।

সুধী পাঠক, সমাজে যারা মিথ্যা বলে বেড়ায়, কারো বিরুদ্ধে মিথ্যা রটিয়ে তার সম্মানহানি ঘটায়, সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে, তারা কি ধার্মিক হতে পারে? আমার মনে হয় না এই শ্রেণির কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে আপনি ধার্মিক হিসেবে স্বীকার করবেন।

তাহলে পরের প্রশ্নটা করি, সেই মিথ্যাবাদী ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যদি হয় ধর্মের লেবাসধারী তবে তার ব্যাপারে আপনার মূল্যায়ন কী হবে? যদি এমন হয় যে- লোকটা মিথ্যা কথা বলে বেড়ায় অথচ তার আপাদমস্তক দাড়ি-টুপি-সুন্নতি লেবাসে আবৃত, তার কণ্ঠে কোরআন-হাদিসের সুললিত উচ্চারণ, হাতে তজবিহ, মুখে ধর্মের বয়ান, তাহলে আপনি তাকে ধার্মিক বলবেন, নাকি বকধার্মিক?

আমি জানি কথাটা অনেকেই পছন্দ করবেন না, তারপরও বলতে বাধ্য হচ্ছি যে, আজকে সমাজে ধার্মিকের তুলনায় এমন বকধার্মিকের সংখ্যা অনেক বেড়ে গেছে। এত এত বকধার্মিকের ভিড়ে কে যে সত্যিকার ধার্মিক তা খুঁজে বের করাই কঠিন। নইলে আমাদের মাদ্রাসাগুলোতে এত এত বলাৎকারের ঘটনা কেন ঘটবে? যারা আমাদেরকে নীতি-নৈতিকতা শিক্ষা দেন, আমাদেরকে ধর্মীয় জ্ঞান দেন, নিজেদেরকে নায়েবে নবী বলে প্রচার করেন, তাদের এই চারিত্রিক অধঃপতন কেন ঘটবে?

আজ সেই আলোচনায় যেতে চাই না। শুধু এটা বলতে চাই যে, এ দেশে অগণিত সত্যনিষ্ঠ আলেম যেমন আছেন, তেমনই ধর্মের লেবাস ধারণকারী বকধার্মিকেরও কোনো অভাব নেই। সত্যনিষ্ঠ আলেমদের কাছে ধর্ম এক পবিত্র আদর্শের নাম যা তাদেরকে ন্যায়ের পথে সংগ্রাম করতে উদ্বুদ্ধ করে, নিজেকে ও সমাজকে হকের রাস্তায় পরিচালিত করতে পথ দেখায়। আর বকধার্মিকদের কাছে ধর্ম কেবল একটা ‘ব্যবসার পণ্য’ যা বিক্রি করে তারা সংসার চালায়।

আলেমদের মধ্যে একটি বিশেষ শ্রেণি যারা ধর্মকে ‘ব্যবসা’ হিসেবে গ্রহণ করেছে আমরা হেযবুত তওহীদ তাদেরকে বলি- ‘ধর্মব্যবসায়ী’। আল্লাহ নিজে পবিত্র কোরআনে তার নাজেলকৃত আয়াতের বিনিময়ে মূল্য গ্রহণ করাকে অর্থাৎ ধর্মব্যবসাকে নিষিদ্ধ করেছেন।

(সুরা বাকারা: ৪১ ও সুরা হুজুরাত: ১৭৪)। এটা আমাদের মুখের দাবি নয়, বরং পবিত্র কোর’আনের হুকুম। “সত্যনিষ্ঠ আলেমদের কাছে ধর্ম এক পবিত্র আদর্শের নাম যা তাদেরকে ন্যায়ের পথে সংগ্রাম করতে উদ্বুদ্ধ করে, নিজেকে ও সমাজকে হকের রাস্তায় পরিচালিত করতে পথ দেখায়। আর বকধার্মিকদের কাছে ধর্ম কেবল একটা ‘ব্যবসার পণ্য’ যা বিক্রি করে তারা সংসার চালায়।”

যাই হোক, আল্লাহ যে কাজকে নিষিদ্ধ করেছেন সেই কাজ করে কেউ যদি সংসার চালায়, নিজের পেটে জাহান্নামের আগুন ঢুকায়, তাহলে সেটা একান্তই তাদের ইচ্ছা। এ নিয়ে আমাদের মাথাব্যথা নেই। কিন্তু আমরা যেটা লক্ষ্য করলাম, এই কথিত আলেমদের মধ্যে একটি দল হেযবুত তওহীদের সাথে আদর্শিক মোকাবেলায় ব্যর্থ হয়ে বক্র পথ অবলম্বন করে যাচ্ছে। হেযবুত তওহীদের ব্যাপারে মনগড়া মিথ্যা বানোয়াট বক্তব্য দিয়ে, গুজব ছড়িয়ে তারা আমাদের বিরুদ্ধে মানুষকে ক্ষিপ্ত করে তোলার ন্যাক্কারজনক অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে। হেযবুত তওহীদ যা বলেনি, যা করেনি সেগুলোকে হেযবুত তওহীদের নামে তারা প্রচার করে মানুষকে বিভ্রান্ত করে যাচ্ছে। এর সর্বশেষ নিকৃষ্ট উদাহরণ হিসেবে আমরা সম্প্রতি তাদেরকে বিভিন্ন জায়গায় একটি বানোয়াট হ্যান্ডবিল বিতরণ করতে দেখছি, যে হ্যান্ডবিলের লাইনে লাইনে মিথ্যার আশ্রয় নেয়া হয়েছে। সেখানে হেযবুত তওহীদের ব্যাপারে এমন সব অভিযোগ তোলা হয়েছে, যেগুলো শুনলে যে কোনো মুসল্লি হেযবুত তওহীদের ব্যাপারে বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠবে, অথচ প্রতিটি অভিযোগ মিথ্যা। আমি দুয়েকটা উদাহরণ দিচ্ছি।

হ্যান্ডবিলে হেযবুত তওহীদের ব্যাপারে একেবারে প্রথম যে অভিযোগটি করা হয়েছে, “হেযবুত তওহীদ বিশ্বাস করে, আল্লাহ তাআলা প্রভুত্বের আসনে নেই। এজন্য আল্লাহকে প্রভুত্বের আসনে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করতে হেযবুত তওহীদ নিয়োজিত হয়েছে।”

কথাটা কতটা ভয়ংকর? একজন ধর্মবিশ্বাসী মানুষের সামনে যদি বলা হয়- এই হচ্ছে হেযবুত তওহীদের বিশ্বাস, তখন সেই মানুষটি হেযবুত তওহীদের ব্যাপারে ক্ষিপ্ত না হয়ে পারবে? অথচ হেযবুত তওহীদ কখনোই এ ধরনের কথা বলে না। তাহলে কী বলে হেযবুত তওহীদ?

“আমরা হেযবুত তওহীদ বলছি- পশ্চিমাদের এই প্রভুত্বকে অস্বীকার করে পূর্ণাঙ্গ জীবনে একমাত্র আল্লাহকে প্রভু হিসেবে মেনে নিতে হবে। আমরা হেযবুত তওহীদ মানবজীবনের প্রতিটি অঙ্গনে আল্লাহর হুকুমত প্রতিষ্ঠা করার জন্যই লড়াই করে যাচ্ছি।”

আমরা বলি, “এই জমিন আল্লাহর, এখানে হুকুম চলবে আল্লাহর। মানুষের ব্যক্তিগত জীবন থেকে শুরু করে পারিবারিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক, সামরিক, রাজনৈতিক, বিচারিক অঙ্গন সহ রাষ্ট্রীয় জীবনের প্রতিটি অঙ্গন কিভাবে পরিচালিত হবে, তার সুস্পষ্ট বিধান আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোর’আনে দিয়ে দিয়েছেন। যারা আল্লাহকে প্রভু হিসেবে স্বীকার করবে, তাদের দায়িত্ব জীবনের প্রতিটি অঙ্গনে আল্লাহর এই হুকুম প্রতিষ্ঠা করা। তাহলেই কেবল আল্লাহকে ‘প্রভু’ হিসেবে মেনে নেয়া হবে।

কিন্তু বর্তমানে মুসলিমরা শুধুমাত্র তাদের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনে আল্লাহর দেয়া অল্প কিছু হুকুম মেনে নিয়েছে। জীবনের বৃহত্তর পরিসর যেমন রাষ্ট্রীয় অঙ্গন, অর্থনীতি, আইন-আদালত, প্রশাসনিক ব্যবস্থা, সামরিক অঙ্গন ইত্যাদি তারা পরিচালিত করছে পশ্চিমাদের তৈরি বিধানে। তার মানে হচ্ছে- তারা ব্যক্তিগত জীবনে আল্লাহকে প্রভু হিসেবে মেনে নিলেও সামষ্টিক জীবনে তারা প্রভু হিসেবে মেনে নিয়েছে পশ্চিমাদেরকে। আমরা হেযবুত তওহীদ বলছি- পশ্চিমাদের এই প্রভুত্বকে অস্বীকার করে পূর্ণাঙ্গ জীবনে একমাত্র আল্লাহকে প্রভু হিসেবে মেনে নিতে হবে। আমরা হেযবুত তওহীদ মানবজীবনের প্রতিটি অঙ্গনে আল্লাহর হুকুমত প্রতিষ্ঠা করার জন্যই লড়াই করে যাচ্ছি।”

অতি সংক্ষেপে এই হচ্ছে এ ব্যাপারে আমাদের আকীদা, বিশ্বাস ও বক্তব্য। আপনি আমাদের বই-পুস্তক পাঠ করলে সেখানে এই বক্তব্যটাই পাবেন। অথচ সেই বিষয়টাকে সম্পূর্ণ বিকৃতভাবে হ্যান্ডবিলে তুলে ধরা হয়েছে- “হেযবুত তওহীদ বিশ্বাস করে, আল্লাহ তাআলা প্রভুত্বের আসনে নেই।” লক্ষ করুন- শব্দগুলো কাছাকাছি, কিন্তু সেগুলোকে এমনভাবে সাজানো হয়েছে যেন মানুষ হেযবুত তওহীদের মূল বক্তব্যটা না পেয়ে উল্টো তাদের ব্যাপারে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। আপনি কি বুঝতে পারছেন, তারা কত বড় মিথ্যাবাদী, কত বড় ধোঁকাবাজ?

এবার আসুন হ্যান্ডবিলের দ্বিতীয় পয়েন্টে। সেখানে তারা উল্লেখ করেছে- “হেযবুত তওহীদ বিশ্বাস করে, বর্তমানে ইবলিসের কাছে আল্লাহ পরাজিত হয়ে আছেন।”

এ ব্যাপারে হেযবুত তওহীদ কি বলে তা খেয়াল করুন। হেযবুত তওহীদ বলে- “বর্তমানে মানবজাতি ইবলিসের প্ররোচনায় আল্লাহর দেয়া বিধান প্রত্যাখ্যান করে তাদের নিজেদের তৈরি বিধান দিয়ে জীবন পরিচালিত করছে। ফলশ্রুতিতে গোটা বিশ্ব আজ নরককূণ্ডে পরিণত হয়েছে। দুনিয়াজুড়ে চলছে অন্যায়, অবিচার, রক্তপাত, খুন, ধর্ষণ, বলাৎকার, মাদক, সন্ত্রাস ইত্যাদি। আজকে মানুষের মধ্যে এই অশান্তি দেখে ইবলিস বিজয়ের হাসি হাসছে। আজ সারা বিশ্বে চলছে তারই জয়জয়কার, তারই শাসন, তারই রাজত্ব। সে যেটা চায়, মানবজাতি ঠিক সেটাই করে চলেছে। ঈমানদারদের কর্তব্য হচ্ছে, ইবলিসের এই রাজত্বকে পরাজিত করে আল্লাহর হুকুম প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আবার পৃথিবীতে শান্তি ফিরিয়ে আনা।”

“তারা ভালো করেই জানে, কারো ব্যাপারে যদি এটা প্রচার করা যায় যে, অমুক ব্যক্তি বা সংগঠন আল্লাহ বা রাসুল বা কোরআনের ব্যাপারে অবমাননাকর কথাবার্তা বলে, তাহলে ওই ব্যক্তি বা সংগঠনের ব্যাপারে মানুষকে ক্ষিপ্ত করে তোলা খুব সহজ। তখন মব সৃষ্টি করা যায়, বাড়ি-ঘরে হামলা করা যায়, লুটপাট করা যায়…”

আপনি একজন পাঠক হিসেবে নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে হেযবুত তওহীদের এই বক্তব্যকে মূল্যায়ন করে বলুন তো, আমাদের এই বক্তব্য কি মিথ্যা? নাকি এটাই আজকের বাস্তবতা? নিঃসন্দেহে আমাদের এই বক্তব্য বাস্তব সত্য।

এবার আপনি হ্যান্ডবিলে বিষয়টিকে যেভাবে উল্লেখ করা হয়েছে সেটাও আবার পড়ুন- “হেযবুত তওহীদ বিশ্বাস করে, বর্তমানে ইবলিসের কাছে আল্লাহ পরাজিত হয়ে আছেন।” এখানেও কাছাকাছি শব্দগুলোকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যেন মানুষ হেযবুত তওহীদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। এই হচ্ছে- মিথ্যাবাদী বকধার্মিকদের কাণ্ড!

আমি আমার এই লেখায় শুধুমাত্র প্রথম দু’টি পয়েন্টের কথা উল্লেখ করলাম। যে হ্যান্ডবিলটার ব্যাপারে কথা বলছি, তাতে এরকম ২০ টা পয়েন্ট আছে। এবং প্রতিটি পয়েন্টে ঠিক একই কায়দায় হেযবুত তওহীদের বক্তব্যকে বিকৃতভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

প্রশ্ন হচ্ছে তাদের উদ্দেশ্যটা কী? উদ্দেশ্য পরিষ্কার- তারা সাধারণ ধর্মবিশ্বাসী মানুষকে হেযবুত তওহীদের ব্যাপারে ক্ষিপ্ত করে তুলতে চায়। তারা ভালো করেই জানে, কারো ব্যাপারে যদি এটা প্রচার করা যায় যে, অমুক ব্যক্তি বা সংগঠন আল্লাহ বা রাসুল বা কোরআনের ব্যাপারে অবমাননাকর কথাবার্তা বলে, তাহলে ওই ব্যক্তি বা সংগঠনের ব্যাপারে মানুষকে ক্ষিপ্ত করে তোলা খুব সহজ। তখন মব সৃষ্টি করা যায়, বাড়ি-ঘরে হামলা করা যায়, লুটপাট করা যায়, বসতভিটা থেকে উচ্ছেদ করে দেয়া যায়। ঠিক এই উদ্দেশ্যেই তারা হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করে যাচ্ছে।

“তারা কেন হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে এত ক্ষ্যাপা? এর কারণটা আমি শুরুতেই বলেছি- হেযবুত তওহীদ মানুষের সামনে এটা প্রকাশ করে দিয়েছে যে- আল্লাহ ধর্মব্যবসাকে হারাম করেছেন। তারা দেখছে, জনগণ ব্যাপারটা জেনে যাচ্ছে এবং তাদের ব্যবসায় মন্দা শুরু হয়েছে…”

দ্বিতীয় প্রশ্নটা হচ্ছে, তারা কেন হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে এত ক্ষ্যাপা? এর কারণটা আমি শুরুতেই বলেছি- হেযবুত তওহীদ মানুষের সামনে এটা প্রকাশ করে দিয়েছে যে- আল্লাহ ধর্মব্যবসাকে হারাম করেছেন। তারা দেখছে, জনগণ ব্যাপারটা জেনে যাচ্ছে এবং তাদের ব্যবসায় মন্দা শুরু হয়েছে। যে কারণে তারা হেযবুত তওহীদের ব্যাপারে এরকম ‘পাগলা’ হয়ে উঠেছে।

প্রিয় পাঠক, যে প্রশ্নটা দিয়ে আমার এই লেখাটা শুরু করেছিলাম, সেটা দিয়েই শেষ করতে চাই। আপাদমস্তক ধর্মের লেবাসে আবৃত কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যদি কারো বিরুদ্ধে মিথ্যা রটিয়ে তার সম্মানহানি ঘটায়, তাকে সমাজের চোখে ছোট করার চেষ্টা করে, সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চায়- আপনার দৃষ্টিতে তারা কি ধার্মিক? নাকি বকধার্মিক?

আমরা বিশ্বাস করি, এরা ধার্মিক নয়, বরং ধর্মের লেবাস ধারণকারী একদল ধর্মব্যবসায়ী। এরা উগ্রবাদী, মব সৃষ্টিকারী একটি গোষ্ঠী, যারা যখন তখন যাকে তাকে কাফের ফতোয়া দিয়ে দেয়। এরা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী, মব সৃষ্টিকারী, উগ্র, উচ্ছৃঙ্খল, সন্ত্রাসী, ফেতনাবাজ সম্প্রদায়।

“মিথ্যাবাদীদের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত হয়ে আপনারা হেযবুত তওহীদের এমন কোনো ক্ষতি করবেন না, যার জন্য পরবর্তীতে অনুতপ্ত হতে হয়। বরং তারা যা বলে তা সত্য কি না যাচাই করুন।”

স্বয়ং আল্লাহ রাব্বুল আলামিন নিজে এরকম মিথ্যাবাদীদেরকে লানত (অভিশাপ) দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন (সুরা আল ইমরান: ৬১)। তিনি আরো বলেছেন-

দুর্ভোগ তাদের প্রতি যারা পেছনে নিন্দা করে বেড়ায়। (সুরা হুমাযাহ: ১)

হে মুমিনগণ! কোনো মিথ্যাবাদী ব্যক্তি যদি তোমাদের কাছে কোনো সংবাদ নিয়ে আসে, তবে তা যাচাই করে নাও। অন্যথায় অজ্ঞতাবশত তোমরা কোনো সম্প্রদায়ের ক্ষতি করে বসবে, অতঃপর নিজেদের কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্ত হবে। (সুরা হুজুরাত: ৬)।

আল্লাহ তাআলা এখানে যে কথাটা বলেছেন, ঠিক সেই কথাটাই আমরা সাধারণ মুসলিম ভাই-বোনদেরকে স্মরণ করি দিতে চাই। মিথ্যাবাদীদের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত হয়ে আপনারা হেযবুত তওহীদের এমন কোনো ক্ষতি করবেন না, যার জন্য পরবর্তীতে অনুতপ্ত হতে হয়। বরং তারা যা বলে তা সত্য কি না যাচাই করুন। যাচাই করতে গেলে আপনি নিজেই আবিষ্কার করবেন, অপপ্রচারকারীরা কত বড় মিথ্যাবাদী। আল্লাহর লানত মিথ্যাবাদীদের উপর। (সুরা আল ইমরান: ৬১)

টপিক: বকধার্মিকমিথ্যাচারহেযবুত তওহীদ
×
QR কোড স্ক্যান করুন